Are these fruits chemical free, and safe for consumption!!!

Are these fruits chemical free, and safe for consumption!!!

About a month ago, one our relatives brought some apples and organges. Few of those were left out, and remained unattended on a corner of the dining place. We were about to throw those away, thought that by this time those fruits should be rotten. Surprisingly! noticed…. those looked so fresh..

Even one month after…look of those orange and apple was same as was at the time those were purchased..

Do they need any laboratory test to certify them safe for comsumption?

Is there anybody to look after that we, the people consume safe food?

Should we continue having the expensive fruits those are not safe at all??

মন্তব্য দিন

by | মে 23, 2013 · 12:15 পুর্বাহ্ন

খাদ্যে ভেজাল দেখলে জানিয়ে দিন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে

খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রনের প্রমাণ পাওয়া গেলে ভোক্তাগণকে মহাপরিচালক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ১ কারওয়ান বাজার, টিসিবি ভবন, ঢাকা ঠিকানায় অভিযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগ জানানোর জন্য ফ্যাক্স নম্বরসমূহ হচ্ছে- ৮১৮৯৪২৫, ৮১৮৯০৪৫, এসএমএস এর জন্য ০১৭১৩-৪৩৬৩৬০, ০১৭১৫-২০৫৯৩০, ০১৭১১-৪০৮৭৯০ নম্বর এবং ই-মেইল করা যাবে dncrp@yahoo.com, info@dncrp.gov.bd  ঠিকানায়।

অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযোগকারি জরিমানার শতকরা ২৫ ভাগ নগদ প্রাপ্য হবেন এবং অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে http://www.dncrp.gov.bd ওয়েবসাইটে।

খুচরা মূল্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পণ্যের মোড়কে না থাকলে এবং নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূল্যে বিক্রয় করলে, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ না করলে, ওজনে, বাটখারা বা ওজন পরিমাপক ও পরিমাপে কারচুপি করলে, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন, ভেজাল ও নকল পণ্য বিক্রয় এবং ক্ষতিকারক দ্রব্য খাদ্যপণ্যে মিশ্রণ করলে ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ করা যাবে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ২৪

মন্তব্য দিন

Filed under খাদ্য অধিকার, ব্লগ, সংবাদ, Uncategorized

নগর পরিকল্পনায় কৃষির দিকেও মনোযোগ দিন

আমাদের দেশে নগর মানে নাগরিক পেশায় নিয়োজিত লোকদের সমাবেশ। এখানে কৃষি বাত্য। কিন্তু পরিকল্পিত নগরায়ণে কৃষির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আজকের কালের কণ্ঠে সম্পাদকীয় কলামে সেই কথাই শুনিয়েছেন কয়েকজন বিশেষজ্ঞ। তাদের ধন্যবাদ জানাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য, সবার গোচরে আনার জন্য। কালের কণ্ঠ এবং লেখকদের কাছে কৃতজ্ঞতাপূর্বক লেখাটি সবার জন্য তুলে দিলাম-

নগর পরিকল্পনাবিদের পাশাপাশি নগর কৃষিবিদও প্রয়োজন

লিখেছেন: ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন মুসা

এক
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) গত ৮ নভেম্বর ঘটা করে বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস-২০১২ পালন করে। এ উপলক্ষে বিআইপির উদ্যোগে সেদিন র‌্যালি, সভা-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় এবং সংবাদপত্রে বিশেষ ক্রোড়পত্রও প্রকাশিত হয়। এবারের বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল : পরিকল্পিত নগর, সুষম উন্নয়ন (Planned Town, Balanced Development)। ওই দিবস উপলক্ষে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানসহ নগর বিশেষজ্ঞরা পৃথক বাণীতে পরিকল্পিত নগরায়ণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। বিআইপি থেকে দাবি করা হয়েছে, দেশের ছয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী নগর পরিকল্পনাবিদদের পৌরসভাগুলোতে নিয়োগ দিতে হবে। যেহেতু ২০৫০ সালের মধ্যে সমগ্র দেশটাই নগরায়িত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সে কারণে তাদের প্রস্তাবটি অত্যন্ত সময়োপযোগী, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে ভূমির আয়তন, কৃষিজমির স্বল্পতা, জনসংখ্যা, পরিবেশ, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য নগরীয় কৃষিরও প্রয়োজন রয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয়দের সম্পৃক্তকরণ ছাড়া পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত নগরায়ণ সম্ভব নয়; সে কারণে শাসন কাঠামোতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে স্থানীয় সরকারগুলোকে স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কিন্তু বিআইপির ক্রোড়পত্রে এসব বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।

দুই
বিআইপির আয়োজনে প্রকাশিত ক্রোড়পত্রে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু তাঁর বাণীতে বলেছেন, ‘… বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়। তবে কোনো প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণসহ বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমেরও বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।’ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান বলেছেন, ‘… দেশের জনসাধারণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য সব নগর ও শহরকে পরিকল্পিত উন্নয়ন ধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে ভূমিস্বল্পতার কারণে আমাদের গ্রামাঞ্চলগুলোকেও পরিকল্পনার আওতায় আনা প্রয়োজন।’ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের প্রেসিডেন্ট পরিকল্পনাবিদ ড. গোলাম রহমান বলেন, ‘নগরায়ণ সভ্যতার মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হলেও অপরিকল্পিত নগরায়ণ একটি সভ্যতার ধ্বংস ডেকে আনে, যা কোনোক্রমেই কাম্য নয়। পরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে চাহিদা ও সাম্যের নিরিখে সীমিত সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করেই কেবল এ সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব। তবে কেবল বিভাগীয় শহরের পরিকল্পনা করলেই হবে না, সব জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন সেন্টার ও অন্যান্য শহরের সঙ্গে গ্রামগুলোকে কম্প্যাক্ট সেটেলমেন্টের আওতায় এনে সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি।’ বিআইপির প্রকাশনায় পরিকল্পনাবিদ খোন্দকার এম আনসার হোসেন, পরিকল্পনাবিদ আল আমিন, পরিকল্পনাবিদ গোলাম মইনুদ্দীন ‘বাংলাদেশ নগর পরিকল্পনার চালচিত্র ও করণীয়’ শীর্ষক কলামে বলেছেন, ‘… দেশব্যাপী সুষমভাবে ছড়িয়ে থাকা পৌরসভাগুলোতে কার্যকর ও স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিকল্পনা শাখা খুলে দেশের ছয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়ে বেরিয়ে আসা তরুণ পরিকল্পনাবিদদের দায়িত্ব দিলে তারুণ্যের হাত ধরে সারা দেশের জেগে ওঠা সময়ের ব্যাপার মাত্র।’ এ ছাড়া আরো কয়েকজন আমলা ও বিশেষজ্ঞ পরিকল্পিত নগরায়ণের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। কিন্তু কারো লেখাতেই নগরীয় কৃষি ও নগরীয় কৃষিবিদের প্রয়োজনীয়তার পক্ষে কোনো মতামত পাওয়া যায়নি।

তিন
আমাদের দেশে নগরায়ণের বিষয়টি এখনো সেকেলে ধারণার ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে নগর মানে অকৃষি পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের বসবাসের স্থান। পৌরসভা অধ্যাদেশ ১৯৭৭-তে পৌরসভা গঠনের আগে তিনটি শর্ত পূরণের কথা বলা হয়েছিল : তথা ১. ইউনিটটির জনসংখ্যা কমপক্ষে এক হাজার ৫০০ হতে হবে, ২. প্রতি বর্গমাইলে দুই হাজার অধিবাসী থাকতে হবে এবং ৩. ইউনিটটির ৭৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা অকৃষি পেশায় নিয়োজিত থাকতে হবে। ওই শর্তাবলির কিছু অংশ সংশোধন করে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯তে বলা হয়েছে : ১. ইউনিটটির ৭৫ শতাংশ ব্যক্তিকে অকৃষি পেশায় নিয়োজিত থাকতে হবে; ২. ৩৩ শতাংশ ভূমি অকৃষি প্রকৃতির হতে হবে; ৩. জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে গড়ে এক হাজার ৫০০ হতে হবে এবং ৪. জনসংখ্যা কমপক্ষে ৫০ হাজার হতে হবে। আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ যদি জনসংখ্যা ২৭ কোটি হয় তাহলে ওই শর্তাবলি মোতাবেক প্রায় ২০ কোটি লোক অকৃষি পেশায় নিয়োজিত থাকবে। অর্থাৎ বর্তমানে যেখানে ৭২ শতাংশ লোক কৃষি পেশায় নিয়োজিত রয়েছে, তখন মাত্র ২৫ শতাংশ লোক কৃষি পেশায় নিয়োজিত থাকবে।

চার
আমাদের দেশের আয়তন অনুযায়ী জনসংখ্যা অত্যধিক এবং কৃষিজমির পরিমাণও কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবছর ১ শতাংশ হারে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ১০০ বছর পর এ দেশে কোনো কৃষিজমি অবশিষ্ট থাকবে না। ইউরোপ-আমেরিকায় জনসংখ্যার তুলনায় জমির পরিমাণ বেশি হওয়ায় সেখানে বহু জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে কৃষিকে বাদ দিয়ে নগরায়ণ করা হলে তাদের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়বে না। অথচ আমরা সেসব দেশের মাঠকৃষি ও উদ্যানকৃষিকে হুবহু অনুসরণ করছি। এখনো আমরা কৃষিকে মাঠঘাট, খালবিলের আবাদ হিসেবে গণ্য করছি। আমাদের উদ্যান কৃষির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে : ফলমূল, শাকসবজি, মসলা জাতীয় উদ্ভিদ আর দৃষ্টিনন্দন উদ্ভিদের আবাদই নগরের কৃষি। এসব ধারণার বিপরীতে সিডিএলজি বারবার বলে আসছে : আগামীর বাংলাদেশ মানে নগরের বাংলাদেশ এবং নগরীয় কৃষির বাংলাদেশ। একই কারণে উদ্যানতত্ত্বের (হর্টিকালচার) পরিধি বৃদ্ধি করে গবাদিপশু ও মৎস্যচাষের সমন্বয় ঘটাতে হবে। সেই সঙ্গে আমাদের দেশোপযোগী ইমারত নীতিমালা তৈরি করে শহরের মতো গ্রামেও বহুতল ভবন (প্রয়োজনে আন্ডারগ্রাউন্ড বিল্ডিং) নির্মাণ করতে হবে।

পাঁচ
সিডিএলজির পক্ষ থেকে আমরা বলে আসছি, কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা বহাল থাকায় সমগ্র দেশটি ঢাকামুখী হয়ে পড়েছে। ঢাকা নগরের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় কোনো পরিকল্পনাই যে ঢাকা নগরকে বাঁচাতে পারবে না, তা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। সে জন্য বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়টি এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। হাসানুল হক ইনু যথার্থই বলেছেন, ‘শুধু প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণও করতে হবে।’ এটি একটি উন্নতি, যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের রাজনীতিকরা প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের দাবি করে আসছেন। কিন্তু প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের কথা বলে সবচেয়ে বেশি ফায়দা হাসিল করেছে সামরিক চা অনির্বাচিত সরকারগুলো। তাই বিষয়টি হওয়া উচিত ‘ক্ষমতার গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ’। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে সিডিএলজির বক্তব্য হলো : এ দেশের আয়তন, জনসংখ্যা, ইতিহাস-ঐতিহ্য, বিবেচনায় এনে দুই ধরনের সরকার ব্যবস্থা, তথা কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাই সমাধান দিতে পারে। যেহেতু ২০৫০ সাল নাগাদ সমগ্র দেশ বহু নগরীয় ইউনিটে বিভক্ত হয়ে পড়বে, সে জন্য নগরগুলো তত্ত্বাবধান করার জন্য উচ্চতম ইউনিট হিসেবে বিভাগ কিংবা জেলা কোনটিকে রাখা হবে, তা এখনই নির্ধারণ করতে হবে। সেই সঙ্গে স্থানীয় কাজগুলো স্থানীয়দের হাতে ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউনিটগুলোতে ‘সরকার কাঠামো’ প্রতিস্থাপন করতে হবে; যেমন ইউনিয়ন সরকার, জেলা সরকার, নগর সরকার ইত্যাদি। মোটকথা, অব্যাহত নগরায়ণের পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়নকে গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের ও পৌরসভা/সিটি করপোরেশন/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডকে নগরীয় স্থানীয় সরকারের ভিত্তিমূল ইউনিট (Basic unit) করে আমাদের স্থানীয় সরকার কাঠামো নির্দিষ্ট করতে হবে। বর্তমানে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি লোক নগরে বসবাস করছে।
২০২০ সালের মধ্যে অর্ধেক জনগোষ্ঠী ও ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় সমগ্র জনগোষ্ঠী নগরীয় সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বসবাস করবে। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্ল্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন নগর পরিকল্পনাবিদদের নিযুক্ত করার দাবি করছে। আমাদের মতে, একদিকে কৃষিজমি হ্রাস, অন্যদিকে নগরায়ণ_এই দুটি বিষয় একসঙ্গে মাথায় রেখে নগর পরিকল্পনাবিদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয়সংখ্যক নগর কৃষিবিদও তৈরি করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ পাওয়ার আশা সুদূরপরাহত হবে।

লেখকবৃন্দ : চেয়ারম্যান, জানিপপ; প্রফেসর রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
বিসিএস শিক্ষা এবং সদস্য, সিডিএলজি

মন্তব্য দিন

Filed under খাদ্য অধিকার, খাদ্যের নিশ্চয়তা, সংবাদ

হুমকির মুখে বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা এবং আমাদের করণীয়

এম এ বাসেত

বিশ্বে প্রায় সাতশ কোটি মানুষের মধ্যে একশ কোটির’ও বেশি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নাই। চরম ক্ষুধার্ত মানুষের মানুষের সংখ্যা প্রায় একশ কোটি বিশ লাখ। তারা দিন কাটায় অর্ধাহারে-অনাহারে। এক জরিপে দেখা য়ায়, ২০০৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬০টিরও বেশি দেশে খাদ্য নিয়ে দাঙ্গা হয়েছে। কারণ লক্ষ লক্ষ টন খাদ্য অপচয় করা হয়। কুকুর, বিড়াল, বানর ও শুকুরের জন্য সরবরাহ করা হয় উন্নতমানের খাবার। মহাসাগর ও সাগরে ফেলে নষ্ট করা হয় খাদ্য।

স্বাধীনতার ৪০ বছরে আমাদের খাদ্য শস্যের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৭ মিলিয়ন টন। গবেষকদের মতে, ২০১৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশে খাদ্য শস্যের প্রয়োজন হবে ৪০ মিলিয়ন টন। প্রতিবছর জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ধরণের হুমকি সৃষ্টি করছে। আইলা-সিডর আক্রান্ত এলাকাসহ অনেক এলাকায় ফসল উৎপাদনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ডিডিপি (পিপিপি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২৩৬ বিলিয়ন, জনসংখ্যা ১৬৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন, জমির পরিমাণ ১ লাখ ৩০ হাজার ১৭০ বর্গ কিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে, মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থা এক পয়েন্টের মধ্যে ৫ পয়েন্টে দেখানো হয়েছে। ২০১১ সালের ২ এপ্রিল খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এক বিবৃতিতে বলেন যে, ‘‘বাংলাদেশ সরকার আগামী পাঁচ বছরের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ৮০০ কোটি ডলারের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে’’। কিন্তু খাদ্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র বৃহৎ পরিসরে পরিকল্পনা গ্রহণ নয় বরং মাঠ পর্যায়ে খাদ্যের সঠিক বন্টন নিশ্চিতকরণও খাদ্য নিরাপত্তার একটি অংশ। কিন্তু বাংলাদেশের কৃষকগণ, যারা আমাদের মোট জনসংখ্যার ৪৫%, তাদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য পাচ্ছেন না। কঠোর পরিশ্রমের পর পাইকারি ক্রেতাদের এক রকম জবরদস্তির ভেতর দিয়ে তাদেরকে নামমাত্র মূল্যে ফসল বিক্রি করতে হয যা ঢাকায় আসার পথে একাধিক স্থানে সরকারি টোল ছাড়াও স্থানীয় নেতাদের বেসরকারি টোল! বিভিন্ন চেক পয়েন্টে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে চাঁদা প্রদান এবং শহরে আড়তদারদের কারসাজীতে দ্বিগুণ-ত্রিগুণ দামে খুচরা বাজারে বিক্রি হয়। ফলশ্রুতিতে কৃষক তাঁর প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হন এবং সাধারণ ভোক্তাগণ অধিক অর্থ ভরাট করে চরম দুর্ভোগ পোহান। অর্থাৎ প্রান্তিক এবং শহরে উভয় দলের নাগরিকগণ ক্রমশ সাধারণ ক্রয় ক্ষমতার হারাচ্ছেন। খাদ্যের বন্টন ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির জন্যে এবং প্রান্তিক জনগণ ক্রয় ক্ষমতার নিচে অবস্থানের ফলে জাতীয় খাদ্য নীতির কোন শর্তই পুরণ হচ্ছে না। এমন অবস্থায় ২০১৫ সালের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন সম্ভব হবে কি?।

আরও পড়ুন এখানে।

মন্তব্য দিন

Filed under খাদ্য অধিকার, ব্লগ

সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থায় অনিয়ম ও দুর্নীতি

খাদ্য অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা আন্দোলনের এক সমীক্ষায় আগস্ট ২০১১-এপ্রিল২০১২ এই নয় মাসে ভিজিডি কর্মসূচীতে ৬০ মেট্রিক টন, ভিজিএফ কর্মসূচীতে ৭৪২ মেট্রিক টন এবং টিআর কর্মসূচীতে ২,২৯৮ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য ও ১০ কোটি ১৮ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা অনিয়মের তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ থাকলেও সমস্যার মূলে সংস্কার ঘটছে কমই। যে কারণে সরকারকে কখনও কখনও জরুরি ত্রাণ সরবরাহ, কর্মসৃজন কর্মসূচি গ্রহণ করে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে। সমস্যার তুলনায় এ সব কর্মসূচি পর্যাপ্ত নয়। আবার প্রত্যেক কর্মসূচি অনিয়ম ও দুর্নীতিতে ভরা। আসন্ন দিনগুলোতে মানুষকে বাঁচাতে হলে খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতা বাড়ানো এবং সেগুলি দুর্নীতিমুক্ত করা জরুরি। পাশাপাশি এসব কর্মসূচীর ব্যবস্থাপনায়ও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। প্রয়োজন স্থায়ী এবং টেকসই খাদ্য অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নীতি গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন।

বিস্তারিত এখানে

মন্তব্য দিন

Filed under খাদ্যের নিশ্চয়তা, সংবাদ

সংবিধানে খাদ্যকে অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

বিশ্বের প্রায় ৯২ কোটির ও বেশী মানুষের ৭০ শতাংশই গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে, যেখানে কৃষিই হচ্ছে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাই সংবিধানে খাদ্য অধিকারকে মৌলিক চাহিদা নয় অধিকার হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবীগণ।

মন্তব্য দিন

Filed under সংবাদ

খাদ্য অধিকার সুরক্ষায় যুব কর্মসংস্থানের ভূমিকা

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় ক্ষুধা ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ – অন্যতম লক্ষ্য হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল। ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে বিশ্ববাসী কাজ করবে, অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের দিকে চোখ রাখলে আমরা দেখতে পাই, পরিসংখ্যানের দিক থেকে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৫৭ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালে বৈশ্বিক মহামন্দার প্রভাব পড়েছিল বাংলাদেশেও। মহামন্দায় দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৩০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ শতাংশে উপনীত হয়েছে, বিশেষজ্ঞগণ এমন মতামত ব্যক্ত করেছেন। অর্থাৎ বাংলাদেশে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বর্তমানে ৪০ শতাংশ।

বাংলাদেশের ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা হ্রাস করতে হলে ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দেবার যথাযথ বিধি-ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিদ্যমান বিধি-ব্যবস্থায় ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দেবার জন্য সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন স্কীমের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির স্কীমগুলোকে গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি দারিদ্র্যতা দূরীকরণের টেকসই কর্মসূচি গ্রহনের উদ্যোগ তেমন একটা দৃষ্টিগোচর নয়। ফলে সামাজিক নিরাপত্তা স্কীমের আওতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, এ থেকে বলা যায়, ক্রমাগতভাবে বাংলাদেশে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 করণীয়:

  •   কৃষি উৎপাদন ও বিপণনে দেশের শিক্ষিত যুব জনগোষ্ঠীকে জড়িত করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করতে হবে। যুব জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হলে দারিদ্র্যতা হ্রাস পাবে এবং সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত হবে।
  • কৃষি কিংবা কৃষি ব্যবসায় জড়িত হতে আগ্রহী তরুন-যুব জনগোষ্ঠীকে বিনিয়োগের মূলধন সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য সরকারকে উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। এতে করে কৃষির উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ হবার সম্ভাবনা তৈরী হবে।
  • তরুন-যুব সমাজকে কৃষি কর্মসংস্থানে আগ্রহী করে তুলতে অবিলম্বে প্রতিযোগিতার নীতি ও খাদ্য বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য মূল্য কমিশন ঘোষণা করতে হবে এবং তরুণ যুবসমাজকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করতে হবে।

– অনলাইন অ্যাকশন উইক

আরও পড়ুন এখানে

মন্তব্য দিন

Filed under খাদ্য অধিকার, ব্লগ